অটিজম সেপক্ট্রাম ডিসওর্ডার
অটিজম সেপক্ট্রাম ডিসওর্ডার (Autism spectrum Disorder) কি ?
অটিজম হল মস্তিস্কের স্বাভাবিক বিকাশ জনিত অসুবিধা, যাকে সমন্বিতভাবে ‘ Autism spectrum Disorder বা ASD বলা হয় “Spectrum” বলতে অটিজম থাকা শিশুর নানা লক্ষন, দক্ষতা এবং প্রতিবন্ধকতার পর্যায় অথবা সীমাবদ্ধতার ব্যাপকতাকে বুঝায় যা একটি ASD আক্রান্ত শিশুর মাঝে থাকতে পারে। এটা স্বল্প মাত্রা থেকে গুরুত্বর মাত্রায় শিশুর মাঝে থাকতে পারে।
Diagnostic and statistical Manual of Mental Disorders Fourth Edition- Text Revision (DSM-IV-TR) এর গাইড লাইন অনুযায়ী একটি শিশুর ASD তে আক্রান্ত কিনা তা নির্নয় করা হয়। গধহঁধষ টি সম্প্রতি পাঁচ ধরণের প্রতিবন্ধকতার সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছে। যেখানে অনেক সময় ASD কে Pervasive development disorder এর সাথে একীভূত করে বলা হয়।
- অটিজম ডিসর্ডার (ক্লাসিক অটিজম)
- এসপারজার ডিসঅর্ডার (এসপারজার সিন্ড্রোম)
- পারভেসিভ ডেভেলোপমেন্টাল ডিসঅর্ডার নট আদারওয়াইজ স্পেসিফাইড (PDD-NOS)
- রেটস্ ডিসঅর্ডার (রেট সিন্ড্রোম)
- চাইল্ডহুড ডিসইন্ট্রিগ্রেশন ডিসঅর্ডার (CDD)
তথ্যের এই পুস্তিকাটি রেট সিন্ড্রোম ও ঈউউ এর উপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা সহ অটিজম, এসপারজার সিন্ড্রোম চউউ-ঘঙঝ এর উপর মূলত আলোকপাত করবে।
ASD এর লক্ষণ সমূহ একেক শিশুর ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। কিন্তুু সাধারণভাবে এদেরকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যোগাযোগ স্থাপনে সমস্যা/প্রতিবন্ধকতা
যোগাযোগ স্থাপনে সমস্যা/প্রতিবন্ধকতা
পুণরাবৃত্তিমূলক ও একই আচরণ বার বার করা (Repetitive and stereotyped ) আছে এমন শিশুদের সামাজিক ও যোগাযোগ স্থাপনের দক্ষতা স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী বৃদ্ধি পায়না। অভিভাবকরাই সর্বপ্রথম শিশুর মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ করে। একই বয়সের অন্যান্য শিশুদের সাথে কিছু আচরণ তুলনা করলে অসংগতিটা সহজেই চোখে পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ASD থাকা শিশরা প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যতিক্রম বলে মনে হয়। অনেক শিশু তাদের ১ বছর বয়স পূর্ণ হবার আগেই কোন একটি বস্তুর প্রতি আসক্ত হয়, চোখে চোখে তাকায় না এবং আদান প্রদান মূলক খেলায় অংশ নিতে চায় না। দৃষ্টি নিবদ্ধ (Regression) না করা, বাবা মায়ের সাথে আধো বোলে-যেমন বা, বা-বু-বু-দাদা, মা মা বলে না। কিছু কিছু শিশু প্রথম ২/৩ বছর স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে। কিন্তুু এর পর থেকে অন্যদের বিষয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, নিরব হয়ে যায় এবং সামাজিক উদ্দীপকের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে অথবা প্রতিক্রিয়াহীন থাকে। স্বাভাবিক বিকাশধারা ক্রমান্বয়ে কমে আসে বা সম্পূর্ণরূপে হারিয়ে যাওয়াকে ‘রিগ্রেশন’(জবমৎবংংরড়হ) নামে অভিহিত করা হয় যা অঝউ আছে এমন কিছু শিশুর মাঝে এটা দেখা যায়
সামাজিক প্রতিবন্ধকতা
ASD আছে এমন অধিকাংশ শিশুরা তাদের দৈনন্দিন সামাজিক যোগাযোগ স্থাপনে অসুবিধার সম্মুখীন হয়। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী অঝউ আছে এমন কিছু শিশুর লক্ষণ সমূহঃ- যেমন ঃ
খুব সামান্য চোখে চোখ রাখে করে।
তাদের আশে পাশে উপস্থিত লোকদের কথা শুনতে আগ্রহ দেখায় না এবং অন্যদের কথার সাড়া দেয়না।
স্বতস্ফুর্তভাবে তাদের খেলনা অন্যদের সাথে শেয়ার করে না। এবং নিজেদের খেলনা অন্যদের দেখিয়ে আনন্দও পায় না।
অন্যরা রাগ, দুঃখ বা øেহ প্রদর্শন করলেও কোন প্রতিক্রিয়া দেখায় না বা নির্লিপ্ত থাকে।
সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা যায় অঝউ আছে এমন শিশুরা সামাজিক যোগযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত আবেগ প্রকাশের উপাদানের প্রতি নির্লিপ্ত থাকে। কারণ - তারা অন্যদের মত সামাজিক উদ্দীপকগুলো লক্ষ করে না। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় যে একটি গবেষনায় দেখা গেছে যে অঝউ আক্রান্ত শিশুরা তাদের সামনে কেউ কথা বলে তার চোখের দিকে না তাকিয়ে তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে যা সাধারণ শিশুদের জন্য ব্যতিক্রম। এই সংক্রান্ত অন্য গবেষনায় দেখা যায় অঝউ আক্রান্ত শিশুরা পুণরাবৃত্তি জাতীয় ঘটনায় আকৃষ্ট হয়। যেমন ঃ হাত তালি দেওয়া। এই বিষয়গুলে কে নিশ্চিত করতে অধিকতর গবেষনা প্রয়োজন। এই ধরণের গবেষনা অঝউ আক্রান্ত শিশুদের কোনকিছু ভুল বোঝা বা হাসি, চোখ পিট পিট করার প্রতি দৃষ্টি প্রদানে ব্যর্থতা নির্দেশ করে। এই বিষয়গুলো বুঝতে পারলে এই শিশুরা সামাজিক ভাবে যোগাযোগ স্থাপনে সক্ষম হতো। এই ধরণের শিশুদের ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন যেমন ঃ তুমি কি ১ মিনিট অপেক্ষা করবে ? সবসময় একই অর্থ বহন করে, যদিওবা প্রশ্নটি কোন কৌতুক , সত্তিকারের প্রশ্ন করা বা কোন বিষয়ে অনুরোধ করা হতে পারত। অঝউ আক্রান্ত শিশুরা স্বরভঙ্গী বুঝতে ব্যর্থ হওয়ায় অন্যদের অংগভঙ্গী মৌখিক বহিঃপ্রকাশ এবং অন্যান্য শব্দহীন যোগাযোগ বুঝতে অক্ষম একই ভাবে অন্যদের জন্য অঝউ আক্রান্ত শিশুদের অংগ ভঙ্গী বুঝতে কষ্ট হয়। তাদের কথার সাথে মৌখিক প্রকাশ ভঙ্গী বা অঙ্গ চালনার মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। তাদের স্বরভঙ্গী তাদের মনের কথা প্রকাশ নাও করতে পারে। অঝউ আক্রান্ত অনেক শিশু অস্বাভাবি স্বরে কথা বলে যা শুনতে অনেকটা রোবটের মত নিরুত্তাপ। অঝউ আক্রান্ত শিশুরা অন্যদের দৃষ্টি ভঙ্গী বুঝতে সমস্যার সম্মুখীন হয় । উদাহরণ স্বরূপ অধিকাংশ স্কুল বয়সী শিশুরা অন্যদের ভিন্নমত, আবেগ বা উদ্দেশ্য বুঝতে সক্ষম। এই শিশুরা উপরোক্ত অনুভূতি বি ত হওয়ায় অন্যদের কার্যক্রম বুঝতে সক্ষম হয় না।
আমেরিকান একাডেমক অব পেডিয়াট্রিকস্ ডেভেলোপম্যান্টাল মাইলষ্টোনস্ (American Academy of Pediatrics developmental milestones) এর গবেষণা মতে এক বছরের স্বাভাবিক শিশু একটি দুটি শব্দ বলতে সক্ষম। কেউ তার নাম ধরে ডাকলে সে সেই শব্দের দিকে তাকাতে পারে। নিজের পছন্দের খেলনা দেখাতে পারে, কোন কিছু পছন্দ না হলে তাদের মুখের ভঙ্গিমায় ‘না’ বোধক বিষয়টি প্রকাশ করে। অঝউ আক্রান্ত শিশুদের এই দক্ষতা অর্জন নাও হতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ ঃ এ ধরণের শিশুরা তাদের নাম ধরে ডাকলে বা অন্য কোন শব্দ করে তার দৃস্টি আকর্ষণ করলে সে হয় উত্তর দেয় না বা অথবা দেরীতে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
কাউকে কোন কিছু দেখানোর ক্ষেত্রে তারা ব্যর্থ হয় অথবা খুব ধীরে ও দেরীতে এ কাজ করে।
প্রথম বছরে শিশু সুলভ আওয়াজ বা শব্দ করলেও পরবর্তীতে এটা করা বন্ধ হয়ে যাওয়া।
বিলম্বে ভাষা শিক্ষা
নিজস্ব সংকেত বা ছবির মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন শিক্ষা
একেটি শব্দ বা বাক্য পৃথক করে বলা কারণ বাক্যের সমন্বিত ব্যবহারের অক্ষমতা ।
যে সকল শব্দ বা বাক্য তারা শুনে, সেই শব্দ বা বাক্যকে তারা বারে বারে বলে। একে ইকোলালিয়া (echolalia) বলে।
অপরিচিত ও অপ্রাসঙ্গিক শব্দ ব্যবহার করা যা শুধুমাত্র এই শিশুদের সাথে সংশ্লিষ্ট পরিজনেরাই বুঝতে পারে।
এমনকি ASD আক্রান্ত শিশুরা যাদের মধ্যে ভাষার দক্ষতা ভাল তারাও প্রায় কথোপকোথনে খেই হারিয়ে ফেলে। উদাহরণ স্বরুপঃ এসকল শিশুরা সামাজিক উদ্দীপকগুলো বুঝতে অক্ষম। “এসপারজার সিন্ড্রোম” এ আক্রান্ত শিশুরা তাদের প্রিয় বিষয় সম্পর্কে প্রায় এক লাগারে কথা বলে। তারা অন্য কাউকে কথা বলার সুযোগ দিতে চায় না অথবা অন্যের প্রতিক্রিয়ায় ভাবলেশহীন থাকে।
ASD আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ভাব প্রকাশে অর্থপূর্ণ ভঙ্গি গড়ে না ওঠায় হঠাৎ করে চিৎকার করা। অথবা কোন কিছু জোড় করে ধরতে পারে। যতদিন তাদের ভাব প্রকাশের সঠিক উপায় শিক্ষা না দেওয়া হয়, ততদিন এই অবস্থা চলতে পারে। এসকল শিশুদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে তারা তাদের সীমাবদ্ধতা সম্বন্ধে সচেষ্ট হয়। এই সচেতনতা তাদেরকে পৃথক বলে চিহ্নিত বা হুতাস গ্রস্ত করতে পারে।
পুনরাবৃত্তি ও একই ধরণের আচরণ
(Repetitive and stereotyped Behaviors )
ASD আক্রান্ত শিশুদের প্রায়ই অস্বাভাবিক আচরণ এবং একই জিনিস বার বার করার প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়। এসকল আচরণ মাঝে মাঝে অতিমাত্রায় চোখে পড়ার মত। কোন কোন ক্ষেত্রে এটা সামান্য বা চোখে পড়ার মত না। উদাহরণ স্বরুপঃ কোন কোন শিশু বারে বারে হাত দিয়ে আঘাত করে শব্দ করা বা হাত উপরে তুলে ঘোড়ানো অথবা বিশেষভাবে হাটা। আবার কেউ কেউ আঙ্গুল দিয়ে চোখ ঘোড়ানোর চেষ্টা করে। এই আচরণ বার বার করাকে “স্টেরিও টাইপ” (stereotyped) আচরণ বলে।
ASD আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে অনেক সময় কোন একটি বিষয়ে অতিমাত্রায় আগ্রহ দেখা যায়। ASD আক্রান্ত শিশুরা চলমান কোন কিছু দেখে উত্তেজিত বা আকর্ষিত হতে পারে, যেমন চলন্ত গাড়ির ঘূর্ণায়মান চাকা। কোন কোন সময় তারা তাদের খেলনাগুলোকে নিয়ে যথাযথভাবে না খেলে রেলগাড়ির মত একটার পেছনে আরেকটা লাগিয়ে সাজাতে থাকে। এসময় কেউ একটা খেলনা সরিয়ে ফেললে সে খুব বিষন্ন হয়ে পরে। পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ একটি শিশুর সকল মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। উদাহরণ স্বরূপঃ তারা ভেক্যুম ক্লিনারের ব্যবহার শেখা, ট্রেনের সময়সূচী বা লাইট হাউজ কিভাবে কাজ করে এসকল বিষয়ে অতিরিক্ত একনিষ্ঠ থাকে। ASDআক্রান্ত শিশুদের মধ্যে সংখ্যা, বিভিন্ন সংকেত ও বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়। ASD আক্রান্ত শিশুরা যদিওবা তাদের দৈনন্দিন জীবনের কার্যকলাপ সহজভাবে করতে পারে তথাপি অনেক সময় অনমনীয়তা মারাতœক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তারা একই খাবার খাওয়ার জন্য অথবা একই পথে স্কুলে যাওয়ার জন্য জেদ করতে পারে। দৈনন্দিন কার্যকলাপের সামান্যতম পরিবর্তন তাদের মধ্যে বিষন্নতা সৃষ্টি করতে পারে। কিছু কিছু শিশুর মধ্যে রাগ বা হতাশা দেখা দিতে পারে।
কোন দুটি শিশুর মধ্যে একই ধরনের লক্ষণ/ বৈশিষ্ট্য দেখা যায় না। প্রকৃতপক্ষে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা শিশুদের মধ্যেও অঝউ আক্রান্ত শিশুদের কিছু লক্ষণ দেখা যায়। আপনি যদি আপনার শিশুর মধ্যে অঝউ আক্রান্ত শিশুদের কোন লক্ষণ দেখতে পান তাহলে অতিস্বত্তর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের কাছে পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করবেন।
প্রাসঙ্গিক অক্ষমতাসমূহঃ
‘রেট সিনড্রোম’ (Rett Syndrome) এবং CDD, ASD র দুটি দুর্লভ প্রকার যা মানসিক বিকাশ ব্যহত করে। ১০ থেকে ২২০০০ মেয়ের মধ্যে মাত্র একজনের রেট সিনড্রোম দেখা যায়। অপর দিকে এক লক্ষ অঝউ আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে সর্বাধিক ২ জনের মধ্যে CDD দেখা যায়। ‘রেট সিনড্রোম’ সাধারণত মেয়েদের মধ্যে দেখা যায়। ‘রেট সিনড্রোম’ এ আক্রান্ত শিশুরা সাধারণত ৬-১৮ মাস বয়স পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠে। এরপর অটিজমের লক্ষণ দেখা দেয়। ‘রেট সিনড্রোম’ এ আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে কথা বলায় জড়তা বা চলাচলের সমন্বয়হীনতা পরিলক্ষিত হয়। ফিজিক্যাল, অকুপেশনাল ও স্পীচ থেরাপী সাহায্য করলেও ‘রেট সিনড্রোম’ এর চিকিৎসার কোন নির্দিষ্ট পদ্ধতি নেই।
ইউনিক কেনেডি শ্রিভার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশন অব চাইল্ড হেল্থ এন্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (Eunice Kennedy Shriver National Institute of Child Health and Human Development) এর অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেছেন একটি একক জীন এর রূপান্তর অধিকাংশ ‘রেট সিনড্রোম’ এর সাথে জড়িত। এই আবিষ্কার ‘রেট সিনড্রোম’ এর প্রক্রিয়াকে বাড়তে না দেওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। একইভাবে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের রোগের উৎস অনুসন্ধানে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারে। এতে সামগ্রিকভাবে আক্রান্ত শিশুদের জীবনমান বৃদ্ধি পেতে পারে। CDD যেহেতু অল্প সংখ্যক শিশুদের আক্রান্ত করে তাই গবেষকদের এই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে সমস্যা হয়। CDD এর লক্ষণ ২ বছর দেখা যেতে পারলেও সাধারণত এর শুরুর প্রক্রিয়া ৩/৪ বছরের মধ্যে। আক্রান্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত CDD আক্রান্ত শিশুরা স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ স্থাপনের দক্ষতা অর্জন করে। স্বাভাবিক বৃদ্ধির দীর্ঘ সময়কাল CDD কে ‘রেট সিনড্রোম’ থেকে পৃথক করে। CDD এর প্রকাশ মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের মধ্যে বেশী। CDD আক্রান্ত শিশুরা পূর্বে অর্জিত ভাষা ও সামাজিক দক্ষতা হারাতে শুরু করে। শব্দভান্ডার কমে যাওয়ার প্রবণতা ‘ক্লাসিক অটিজম’ থেকে CDD এর মধ্যে বেশী দেখা যায়। অন্যান্য CDD এর লক্ষণ হল মলমূত্র ত্যাগের নিয়ন্ত্রণ হারানো।
Comments
Post a Comment