বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষণ কৌশল
বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষণ কৌশল-
১. জটিল বিষয়কে সহজ করার নিমিত্তে ছোট ছোট খন্ডে বিভক্ত করে সহজ বিষয়গুলো থেকে কঠিন এর দিকে ক্রমানুসারে শিখাতে হবে। একই সময়ে একের অধিক বিষয় শেখানো যাবে না।
২. ব্যাক্তিকেন্দ্রিক শিখন দিতে হবে। মনে রাখতে হবে প্রতিটা শিশুই আলাদা ভাবে শিখে থাকে এবং শিখন প্রক্রিয়াতে সেভাবে মনোযোগ দিতে হবে।
৩. তাদের যেকোন বিষয় হাতে কলমে ও করে দেখিয়ে শেখাতে হবে। শিখনের ক্ষেত্রে অনুশীলন ও পুনরাবৃত্তি করাতে হবে।
৪. Reinforcement দিতে হবে মৌখিক বা কোন বস্তুুর সাহায্যে।
৫. পূর্ব শিখনকে সঠিকভাবে সমাপ্ত না করে নতুন শিখন শুরু করা উচিত নয়।
৬. শিখন চাহিদা সম্পন্ন শিশুর অনেক সময় একা শিখন ব্যবস্থা প্রয়োজন হয়।
৭. শুধু মুখে বলার চেয়ে শিক্ষার্থীকে নিজে করে দেখান
৮. যখন শিক্ষার্থীকে কোন কিছু করতে বলবেন তখন সহজ ভাষায় বলুন যাতে সে বুঝতে পারে
৯. কাগজে কলমে কিছু করার চাইতে শিক্ষার্থীকে বাস্তব কোন উপকরণ দিন যাতে ে তা স্পর্শ বা অনুভব করে কাজ করতে পারে।
১০. শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতা ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে আপনার পাঠকে সম্পর্কিত করুন।
১১. কোন কাজ শুরু ও শেষ সময়টি শিক্ষার্থীদের কাছে পরিস্কার করুন।
১২. কোন কাজ করার জন্য শিক্ষার্থীকে পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ দিন। অনুশীলনের ফলে শিক্ষার্থী পূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে পারে। এতে তার দক্ষতা ও নিজের প্রতি আস্থাও বাড়ে।
১৩. শিক্ষার্থীর পরিবারের কোন সদস্য তালিকাভুক্ত করুন যিনি শিশুকে বাড়ীতে বাড়ীর কাজ এবং ক্লাসে যা পড়ানো হয়েছে তা অনুশীলনে সাহায্য করবেন।
১৪. শিশু মনোযোগ আকর্ষনের জন্য কোন ধরণের অপ্রত্যাশিত আচরণ করলে তার প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপ করবেন না। শুধুমাত্র শিশুর ভাল আচরণের জন্য প্রশংসা করুন এবং সে সময়ই তার প্রতি নজর দেয়া প্রয়োজন।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের সঠিক বিকাশের জন্য যা যা প্রয়োজন যেমন ঃ অকুপেশনাল থেরাপী, কাউন্সেলিং, সমস্যাযুক্ত আচরণ দূর করা, স্পিচ এবং ল্যাংগুয়েজ থেরাপি খুবই জরুরী।
ট্রিপস: সকালে উঠে এক গ্লাস পানি খান। ব্রেন, শরীর ও ডাইজেস্টিব সিস্টেমকে সুন্দর ভাবে জাগিয়ে তোলার এ হল প্রথম ধাপ।
১. জটিল বিষয়কে সহজ করার নিমিত্তে ছোট ছোট খন্ডে বিভক্ত করে সহজ বিষয়গুলো থেকে কঠিন এর দিকে ক্রমানুসারে শিখাতে হবে। একই সময়ে একের অধিক বিষয় শেখানো যাবে না।
২. ব্যাক্তিকেন্দ্রিক শিখন দিতে হবে। মনে রাখতে হবে প্রতিটা শিশুই আলাদা ভাবে শিখে থাকে এবং শিখন প্রক্রিয়াতে সেভাবে মনোযোগ দিতে হবে।
৩. তাদের যেকোন বিষয় হাতে কলমে ও করে দেখিয়ে শেখাতে হবে। শিখনের ক্ষেত্রে অনুশীলন ও পুনরাবৃত্তি করাতে হবে।
৪. Reinforcement দিতে হবে মৌখিক বা কোন বস্তুুর সাহায্যে।
৫. পূর্ব শিখনকে সঠিকভাবে সমাপ্ত না করে নতুন শিখন শুরু করা উচিত নয়।
৬. শিখন চাহিদা সম্পন্ন শিশুর অনেক সময় একা শিখন ব্যবস্থা প্রয়োজন হয়।
৭. শুধু মুখে বলার চেয়ে শিক্ষার্থীকে নিজে করে দেখান
৮. যখন শিক্ষার্থীকে কোন কিছু করতে বলবেন তখন সহজ ভাষায় বলুন যাতে সে বুঝতে পারে
৯. কাগজে কলমে কিছু করার চাইতে শিক্ষার্থীকে বাস্তব কোন উপকরণ দিন যাতে ে তা স্পর্শ বা অনুভব করে কাজ করতে পারে।
১০. শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতা ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে আপনার পাঠকে সম্পর্কিত করুন।
১১. কোন কাজ শুরু ও শেষ সময়টি শিক্ষার্থীদের কাছে পরিস্কার করুন।
১২. কোন কাজ করার জন্য শিক্ষার্থীকে পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ দিন। অনুশীলনের ফলে শিক্ষার্থী পূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে পারে। এতে তার দক্ষতা ও নিজের প্রতি আস্থাও বাড়ে।
১৩. শিক্ষার্থীর পরিবারের কোন সদস্য তালিকাভুক্ত করুন যিনি শিশুকে বাড়ীতে বাড়ীর কাজ এবং ক্লাসে যা পড়ানো হয়েছে তা অনুশীলনে সাহায্য করবেন।
১৪. শিশু মনোযোগ আকর্ষনের জন্য কোন ধরণের অপ্রত্যাশিত আচরণ করলে তার প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপ করবেন না। শুধুমাত্র শিশুর ভাল আচরণের জন্য প্রশংসা করুন এবং সে সময়ই তার প্রতি নজর দেয়া প্রয়োজন।
বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের সঠিক বিকাশের জন্য যা যা প্রয়োজন যেমন ঃ অকুপেশনাল থেরাপী, কাউন্সেলিং, সমস্যাযুক্ত আচরণ দূর করা, স্পিচ এবং ল্যাংগুয়েজ থেরাপি খুবই জরুরী।
ট্রিপস: সকালে উঠে এক গ্লাস পানি খান। ব্রেন, শরীর ও ডাইজেস্টিব সিস্টেমকে সুন্দর ভাবে জাগিয়ে তোলার এ হল প্রথম ধাপ।
Comments
Post a Comment