শিশুর এ্যাসেসমেন্ট প্রক্রিয়া যা জানা এবং বোঝা জরুরী।
শিশুর এ্যাসেসমেন্ট প্রক্রিয়া যা জানা এবং বোঝা জরুরী।
গর্ভ হতে পাঁচ
বছর পর্যন্ত শিশুর বিকাশে জীবন দক্ষতা প্রশিক্ষন কর্মসূচীর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা।
মায়েদের উদ্দেশ্য :
১. ০ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা যেহেতু প্রশিক্ষনের
জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধি সেক্ষেত্রে এই সব শিশুদের জন্য আঁতুরকাল সময়ের ঝুঁকিগুলো
মায়েদের জানা থাকা দরকার।
২. নিম্ন মধ্যবর্তী কর্মজীবী মায়েদের জন্য প্রশিক্ষনটি হলে তাদেরকে
শিশুর স্বাস্থ্য, পুষ্টি, চিক্যিসা, টীকা এবং বিপদ সংকেতগুলো
জানাতে হবে। প্রতিবন্ধিতা ছারাও জীবনের জন্য অন্যান্য ঝুঁকিগুলো কিভাবে শিশুর
বিকাশ গুলোকে ব্যহত করে তা জানাতে হবে।
৩. প্রশিক্ষনে ভাষা ও বুদ্ধিমত্তার সাথে শারিরীক
সঞ্চালমূলক বিকাশকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
৪. বিকাশের ধাপগুলো, কোন বয়সে শিশু কি কি করতে পারে তা দৃশ্যমান চিত্রসহ
মা’য়েদেরকে জানাতে হবে।
প্রশিক্ষকের জন্য
প্রস্তুতিমূলক তথ্য
১. খেলার প্রয়োজনীয়তা, কি কি খেলা শিশুদের জন্য বেশী উপযোগী মা’কে দিয়েতার তালিকা
তৈরি করা। অন্যের সাথে খেলা (People game) যেমন: কাতুকুতু খেলা, ছোঁয়া ছুয়িখেলা, লুকোচুরি খেলা, আঙুলের খেলা।
আবেগীয় খেলা (People
game) যেমন: পুতুল খেলা, রান্না বাটি খেলা, কল্পনা শক্তি বাড়ানোর খেলা (Emotional
game), Pretend play যোগ করা প্রয়োজন।
২. শিশুর বিকাশের সম্ভাবনাময় দিক সম্পর্কে মা’কে
জানানো। যেমন: কোন কাজটি করলে শিশুর কোন ধরনের ক্ষমতা বাড়বে তা জানানো ও বুঝানো
যেমন-
·
লুকোচুরি খেললে- বুদ্ধি বাড়বে
·
অনুকরণ করে খেললে- শিশুর দেখে দেখে কাজের
দক্ষতা বাড়বে।
·
আঁকা আঁকি করলে- কৌতুহল বাড়বে।
·
Reasoning skill নিয়ে প্রশিক্ষণে কাজ করতে হবে।
৩। কিছু বিপদ চিহ্ন/ওয়ার্নিং সাইন জানাতে হবে।
মা’কে বলতে হবে তিনি শিশুর কোন কোন বিষয় খেয়াল রাখবেন। যেমন-
শারীরিক ও
বিকাশগত কারণ
ক) কারণ ছাড়া
কান্না (নীল হওয়া/শক্ত হয়ে যায় কিনা) খিঁচুনী
খ) হাত- পা
কিভাবে নাড় চাড়া না করা হাত বা পায়ের
দূর্বলতা
গ) তীব্র আলো বা
সজোড়ে শব্দ শুনলে প্রতিক্রিয়া না করা চোখে
দেখতে বা কানে শুনতে পায় কিনা ?
ঘ) সারাক্ষণ মাথা
নাড়াচ্ছে কিনা? কানে ইনফেকশন বা
সেনসরি সমস্যা
৪। সব বিকাশের জন্য বয়স অনুযায়ী ১টি করে খেলা হলেও
যোগ করা দরকার।
৫। বিকাশত দিক থেকে পিছিয়ে পড়া অথবা কোন বিশেষ
দিকে সীমাবদ্ধতা আছে অথবা কোন ডিসঅর্ডার থাক শিশুদের জন্য (চোখে চোখে তাকায় না, অস্থির, ছুটে বেড়ায়) কিভাবে কাজ
করতে হবে তা যোগ করতে হবে।
৬। (ক) টয়লেট প্রশিক্ষণ- দাঁত ব্রাশ, নিত্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন
(খ) সেনসরি খেলা, সুড়সুড়ি খেলা, মিছিমিছি খেলা যোগ করা যেতে পারে।
৭। পুরো প্রশিক্ষণ যদি যোগাযোগ প্রশিক্ষনের জন্য
হয় তবে প্রি-ভারবাল দক্ষতাগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে। যেমন:
·
Attention & Listening, Eye contact,
Joint Attention
·
এই খেলাগুলো এই প্রশিক্ষনে অন্তর্ভূক্ত থাকলেও
সে সম্পর্কে পরিস্কারভাবে তার মা’কে বুঝিয়ে দিতে হবে। কিভাবে মা কাজটি করবে ও
কিভাবে সেটা শিশুর জন্য উপকারী হবে তা মা’কে লিখিতভাবে দিতে হবে।
·
অভিভাবককে দিয়ে কিছু খেলনা তৈরী করানো যেতে
পারে।
·
কথোপকথনের জন্য চার্ট বা ছবির বই রাখা যেতে
পারে।
·
খবরের কাগজ/পোষ্টার থেকে চবি কেটে বই তৈরী করতে
পারেন।
Comments
Post a Comment